1. hossainahmednumanbd@gmail.com : admin : হোসাইন আহমদ
  2. Chilauranews@gmail.com : হোসাইন আহমদ : হোসাইন আহমদ
নলুয়ার হাওরে বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখে-মুখে হাসি দুশ্চিন্তায় আছে অনেকে
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

নলুয়ার হাওরে বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখে-মুখে হাসি দুশ্চিন্তায় আছে অনেকে

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪
image 189394 1560895499

মাঠে মাঠে সোনার ফসল। সেই ফসলের আধা-পাকা ধানের মৌ মৌ গর্ন্ধে মাতোয়ারা কৃষক। এমন চিত্র দেখা গেছে সুনামগঞ্জ জেলার অন্যতম জগন্নাথপুরের চিলাউড়া সর্বৃহৎ নলুয়ার হাওরে।

বাতাসে দুলছে বোরো ফসলের শীষ। পাকা-আধা পাকা কৃষকের কষ্ঠার্জিত আবাদকৃত ফসল মাঠের পর মাঠ সুবাস ছড়াচ্ছে। এরমধ্যে এসব সব কাটার ধুমও পড়েছে। এবারের ভালো ফসলে কৃষকের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, গত ৫০ বছরেও এমন ভালো ফসল হয়নি। এরছর যে ফসল হয়েছে। ভালো ভালো গোলায় তুলছে পারেই তাঁরা খুশি।

 

হাওরের বেশির ভাবে কৃষক জানালেন, ২০১৭ সালে অকাল বন্যায় পাউবোর দুর্বলকৃত বেড়িবাঁধ ভেঙে হাওরের ফসল ডুবির ঘটনায় কৃষক পরিবারে দুর্দিন এনে আসে। এরপর বড়ধরণের অকাল বন্যার বিপর্যয়ের ঘটনা না ঘটলেও অতি বৃষ্টি, খড়া ও শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এবারের বাম্পারে ফলনে কৃষকরা আনন্দিত। তবে শ্রমিক সংকট থাকায় চিন্তায় আছেন তাঁরা। যেসব জমিতে বৃষ্টির পানি জমে সেসব জমিনে ধান কাটার মেশিন নিয়ে কাজ করা যায়না। এতে করে দুশ্চিতাও দেখা দিয়েছে।

 

নলুয়ার হাওরের চিলাউড়া গ্রামের কৃষক হোসাইন আহমেদ বলেন, এবার খুবই ভালো ফসল হয়েছে। প্রতি কেয়ারে মিলছে ২০-২৫ মন ধান। ফলণেও আমরা খুবই খুশি। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে দুশ্চিন্তায় আছি। ধান কাটাতে লাগছে প্রতি কিয়ারে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। এরমধ্যে জমিনে পানি থাকায় ধান কাটার মেশিন কাজ করছে না। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে আছে। এরকম ১০ থেকে ১২ দিন থাকলেও গোলায় ধান ভরে উঠবে।

 

আরেক কৃষক রাসেল মিয়া জানান, চাহিদার চেয়ে ভালো ফলন হওয়াতে খুবই আনন্দিত। এবার ১০ কেয়ার জমিনে বোরো ফসল চাষাবাদ করেছি। এরমধ্যে ৮ কেয়ার জমির ধান কাটা শেষ করেছি স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে। পর্যাপ্ত শ্রমিক না থাকায় হাওরে শ্রমিক সংকট রয়েছে। ভালো ভালো ফসল ঘরে তুলছে পারছে এ বছর আমরা অন্য বছরের তুলনায় লাভমান হব।

নলুয়ার হাওরে ব্যষ্টিত চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, এবছর যে ফলন হয়েছে, গত ৫০ বছরেও বোরো জমিতে এমন ফসল হয়নি। বাস্পার ফলণে কৃষকের চোখে মুখে হাঁসির ঝিলিক ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, জগন্নাথপুরের নলুয়া, মইয়ার, পিংলার হাওর-সহ ১৫টি হাওরে ২০ হাজার ৩৭৫ হেক্টর জমিনে বোরো আবাদ করা হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাউসার আহমদ বলেন, হাওরে এখন ধান কাটার ধুম পড়েছে। এবারে খুবই ভালো আবাদ হয়েছে। শ্রমিক সংকট নেই দাবী করে তিনি বলেন, জগন্নাথপুরের সব কটি হাওরে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। পাশাপাশি ৭৫টি কম্বাইন্ড হারভেষ্টার মেশিন হাওরে ধান কাটছে।

Facebook Comments Box

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮-২০২৪ চিলাউড়া.কম